মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ আনুসারে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণের সমন্বয়ে "উপজেলা পরিষদ" নামক স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান স্থাপিত ।

গোবিন্দগঞ্জ নামকরণ সংক্রান্ত একাধিক মতামত পাওয়া যায় । তন্মধ্যে বহুল প্রচলিত কয়েকটি মত উল্লেখ করা হলোঃ-

(১) সত্যং শিবং সনাতন পুরান (সাঁওতালদের গ্রন্থ) আছে ‍ পৌন্ড্রবর্ধন রাজ্যর রাজা বিরাটসহ আরও দশজন পাওয়া যায়। উত্তর পৌন্ড্রবর্ধন রাজ্যের  প্রাচীন রাজারা  হলেন যথাক্রমে -রাজাবিরাট , বালরাজ , হাতিয়াররাজ , মৎস্যরানী , কুন্দরাম,  ‍কামেশ্বর ,কাঞ্চনকুমার , নরেঙ্গারাজ , দেউলরাজ ও গোবিন্দ। শেষোক্ত রাজার নামেই গোবিন্দগঞ্জ নামকরণ হয়েছে ।

(২)ঐতিহাসিক বর্ধনকোট নামক স্থানে মোঘল আমলে ১৬০১ সালে গোবিন্দমন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। মন্দিরটি গোবিন্দ মন্দির নামে প্রসিদ্ধি অর্জন করে। এই বিখ্যাত গোবিন্দ মন্দির কে কেন্দ্র করে এই স্থানের নাম গোবিন্দপুর নামে এখনও দুটি মৌজা অতীতের সাক্ষী হয়ে আছে। 

(৩)“গঞ্জ”  ফারসী শব্দ । এর অর্থ হাটবাজার বন্দর, গোলাপ  বা শস্য ক্রয়-বিক্রয়ের স্থান/কেন্দ্র । প্রাচীনকালে করতোয়া নদীর তীরে যে বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে ওঠে তা মোঘল আমলে “গঞ্জ” হিসাবে প্রসিদ্ধি অর্জন করে । কালক্রমে অতীতের সেই রাজা গোবিন্দের স্মৃতিকে অক্ষয় করে ধরে রাখার জন্য গোবিন্দ নামের শেষে “গঞ্জ” শব্দ যুক্ত হয়ে গোবিন্দগঞ্জ নামকরণ হয়।

(৪)গোবিন্দগঞ্জের আর এক নাম “গোলাপবাগ” । বর্ধনকোটির রাজা শ্যাম কিশোর এখানে একটি গোলাপ ফুলের বাগান তৈরী করেন। ঐ গোলাপবাগান থেকেই এখানকার নাম গোলাপবাগ হয়।

ছবি



Share with :

Facebook Twitter